Breaking News

এবার আলো ছড়ানোর অপেক্ষায় সৌম্য

সাগরিকার বাতাস পেলে বাংলাদেশি ক্রিকেটারদের গায়ে যেন আলোড়ন বয়ে যায়। ঝকঝকে স্পোর্টিং পিচে তাই তো ব্যাটিংটা আসে অবলীলায়। মিরপুরে কষ্টার্জিত রান হলেও চট্টগ্রামের ভেন্যুতে সহজেই রান করতে পারেন ক্রিকেটাররা। ব্যাটে আসে বল, বাউন্সে থাকে সমতা; ফলে অনায়াসেই হাঁকানো যায় চার-ছক্কা। পাশপাশি স্ট্রাইক রোটেশনেও চট্টগ্রামের পিচটা বেশ স্বাচ্ছন্দ্যময়। তাই তো সাগরিকায় যেতে মুখিয়ে থাকেন লিটন-সৌম্যরাও।

ছবি সংগ্রহ

প্রসঙ্গ যখন বাংলাদেশ সিরিজ, তখন দলের ব্যাটিং নিয়েই আলোচনা করা যাক। মিরপুরে ব্যাটিং ব্যর্থতায় প্রথম ম্যাচ হেরেছে বাংলাদেশ। দ্বিতীয় ম্যাচে মিরাজের সংগ্রাম যেন অশনি সংকেত। তবে সাগরিকায় সেই শঙ্কা কাটিয়ে আলো ছড়াতে পারেন সৌম্য সরকার। দেশের অন্যান্য পিচের তুলনায় এই মাঠটাই যেন বেশি প্রিয় সৌম্যর। পাঁচ ইনিংস ব্যাট করে ৫৭ গড়ে করেছেন ২৮৫ রান। সঙ্গে আছে এক ফিফটি ও দুই সেঞ্চুরির আর্শীবাদ।

চট্টগ্রামের এই ভেন্যুতে ২০০ রান করেছেন মোট ১১ ব্যাটার। এর মধ্যে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ব্যাটিং গড় সৌম্য সরকারের। দেশিদের মধ্যে অবশ্য প্রথম সৌম্যই। রান করার তালিকায় এই ব্যাটারের তালিকা নবম হলেও ব্যাটিং গড় ও স্ট্রাইক রেটে ছাড়িয়েছেন সবাইকে। বাউন্সিং পিচ পেলে যেমন দুর্দান্ত বোলিং করেন নাহিদ রানা, তেমনি বাউন্সিং উইকেট পেলে শৈল্পিক ব্যাটিং দেখান সৌম্য সরকার। চট্টগ্রামে সেই ব্যাটিং শৈলীর দেখা মিলবে কী আরেকবার!

সাগরিকায় কেবল সৌম্য নয়, আলো ছড়িয়েছেন লিটন-শান্তরাও। এই পিচে ইতোমধ্যে ৪৩২ রান করেছেন লিটন, সঙ্গে এক সেঞ্চুরি ও তিন ফিফটি। শান্ত-হৃদয়ের ব্যাটিং গড় যথাক্রমে ৩৭ ও ৫২! চট্টগ্রামে এই দুই ব্যাটারও পেয়েছেন বড় ইনিংসের দেখা। অধিনায়ক মিরাজও করেছেন ফিফটি। তবে সব ছাপিয়ে আলোচনায় সৌম্য সরকার। কারণ, বাকিদের তুলনায় পরিসংখ্যানে বেশি উজ্জ্বল যে এই ব্যাটার। দেখার পালা, সিরিজ নির্ধারনী ম্যাচে সৌম্যর ব্যাট থেকে কতটা বিচ্ছুরিত হয় সাফল্যের আলো।

#cricketshortstories #soumyasarkar

About ataur

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *