
সাম্প্রতিক সময়ে বল হাতে দারুণ ছন্দে আছে বাংলাদেশের বোলিং ইউনিট। সিলেট টেস্টও এর ব্যতিক্রম নয়। ২৭৮ রানের পুঁজি নিয়ে ৪৬ রানের লিড পাওয়া তো চাট্টিখানি কথা নয়। যদিও বাংলাদেশের বোলিংকে এত মাহাত্ম্য দেখাতে নারাজ বাবর আজম।
পাকিস্তান ২৩২ রান করতে পেরেছে তার ব্যাটে ভর করেই। ৬৮ রানের ইনিংসে বাবর শুধু দলের সর্বোচ্চ স্কোরারই নন, একমাত্র হাফসেঞ্চুরির মালিকও। তবে দ্বিতীয় দিনের খেলা শেষে তিনি দাবি করলেন, পাকিস্তানের ব্যর্থতার কারণ ব্যাটারদের উচ্চাভিলাষী শট। বাংলাদেশের বোলারদের তেমন কৃতিত্ব দেখছেন না তিনি।
বাবর বলেন, ‘না, আমি তা (বাংলাদেশের বোলিং ভালো বলেই পাকিস্তানের ব্যাটিং ব্যর্থতা) মনে করি না। বাংলাদেশের বোলিং ভালো। তবে আমরা সফট ডিসমিসালে অনেকগুলোউইকেট বিলিয়ে দিয়ে এসেছি।’

তবে উইকেট নিয়ে পাকিস্তানি তারকার কোনো অজুহাত নেই। জানালেন, ‘সত্যি বলতে উইকেট অনেক ভালো। বল খুব ভালো ব্যাটে আসছে। আমরা পার্টনারশিপ গড়তে পারিনি। তবে শুরুটা ভালো করেছিলাম। আমি ও আঘা পার্টনারশিপ গড়ার চেষ্টা করেছিলাম। তবে বেশি বড় হয়নি।’
পাকিস্তানের তারকা ব্যাটারের চোখে ম্যাচের টার্নিং পয়েন্টই তার ও সালমান আলী আঘার উইকেট, ‘টার্নিং পয়েন্ট হলো আমার ও সালমানের উইকেট। এরপর আর পার্টনারশিপ হয়নি। এই দুটো উইকেটই মোমেন্টাম বদলে দিয়েছে।’
বাংলাদেশের কাছে টানা তিন টেস্টে হেরেছে পাকিস্তান। এই টেস্টও হারলে সংখ্যাটা হবে ৪। বাংলাদেশি বোলারদের নিয়ে পাকিস্তানি ব্যাটারদের মানসিক কোনো বাধা আছে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না, দুই দল অনেকবারই খেলেছে পরস্পরের বিরুদ্ধে। মনে হয় না মানসিক কোনো বাধা আছে। আমাদের পার্টনারশিপগুলো হচ্ছে ছোট ছোট। টেস্টে বড় ২-৩টি পার্টনারশিপ লাগে ভালো করতে।’
