
ইমন এখন পর্যন্ত দুইটা টি-টোয়েন্টি মিডল অর্ডারে খেলেছেন, ২০২৫ সালে বাংলাদেশের শেষ টি-টোয়েন্টিটা, আর ২০২৬ সালে বাংলাদেশের প্রথম টি২০টা। অর্থাৎ টানা দুই ম্যাচে ইমন খেলেছেন মিডল অর্ডারে, তাই ইমনকে নিয়ে পরিকল্পনাটাও হয়তো কিছুটা বুঝা যাচ্ছে। দুই ম্যাচে ইমনের পারফরম্যান্স ৩৩*(২৬) ও ২৮(১৪)। দুই ম্যাচে ৪০ বলে ৬১ করেছেন, গড় ৬১, স্ট্রাইকরেট দেড়শোর উপরে।
ইমন মিডল অর্ডারে নেক্সট ম্যাচ খারাপ করলে হয়তো কথা উঠবে, ওপেনারকে মিডল অর্ডার বানিয়ে নষ্ট করা হচ্ছে, কিন্তু আমি মনে করি ইমনের এই মিডল অর্ডার রোলটা বেশ ইফেক্টিভ হবে। কারণ ইমনের হাতে জোর আছে, স্পিন ভালো খেলেন। ছক্কা ভালো হাঁকান, তাই তাকে শুধু পাওয়ারপ্লেতে ৩০ গজ বের করতে পারা প্লেয়ার মনে করা মানে তার হিটিং অ্যাবিলিটিকে সীমাবদ্ধ রাখা।
ইমন কিন্তু সিলেট টাইটান্সের হয়ে মিডল অর্ডারেও বেশ ভালো খেলেছেন। আর আমাদের যেহেতু মিডল অর্ডার ভুগছে, তাই ইমনের মতো টি-২০ মাইন্ডসেটের ব্যাটারের রোলটা মিডল অর্ডারেই হোক। যদি কোনো ম্যাচে প্রয়োজন পড়ে, ওপেন করলো; দরকার পড়লে কিপিংও করতে পারবেন৷ এভাবেই ইমন নিজেকে ইউটিলিটি ক্রিকেটার হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করুক, শুভকামনা।
