
যদিও ওয়ানডেতে তাওহীদ হৃদয় যে অপরাজিত ৩৩ রানের ইনিংস দিয়ে গড়টাকে সাকিবের গড়কে ছাড়িয়ে ৩৭.৪১ এ নিয়ে গেছেন, সেই ইনিংসটা ব্যক্তিগতভাবে আমার ভাল্লাগেনি, খুশি হতাম যদি শেষদিকে হৃদয় মুস্তাফিজকে স্ট্রাইক না দিয়ে নিজে ব্যাট করতেন।
তবে টি-টোয়েন্টিতে যে ইনিংস দিয়ে তানজীদের গড়কে ছাপিয়ে গেছেন, সেই ইনিংসটা নিঃসন্দেহে দারুণ ছিলো। ২৭ বলে ৫১* রান, সংখ্যাটা দেখতে যেমন ভালো লাগছে, সেই ইনিংসে হৃদয়ের অ্যাডজাস্টমেন্ট তার চেয়েও ভালো ছিলো। বাউন্ডারির হিসাব না দেই, পুরো ২৭ বলের ইনিংসে ডট দিয়েছেন মাত্র ২টা। আর যে কারণে ১৮০+ টার্গেট সাবলীলভাবেই বাংলাদেশ চেজ করতে পেরেছে, ইমন-শামীমরা যোগ্য সঙ্গ দিলেও কাজের কাজটা কিন্তু হৃদয়ই মূলত করেছেন। ম্যাচের সেরা খেলোয়াড় নির্বাচিত হয়েছেন হৃদয়।
🚨 ওয়ানডেতে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ গড়: (ন্যূনতম ১০০০ রান)
১। তাওহীদ হৃদয়: ৩৭.৪১
২। সাকিব আল হাসান: ৩৭.২৯
৩। তামিম ইকবাল: ৩৬.৬৫
🚨 টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের হয়ে সর্বোচ্চ গড় (ন্যূনতম ১০০০ রান)
১। তাওহীদ হৃদয়: ২৮.৫৫
২। তানজীদ তামিম: ২৭.৮০
৩। তামিম ইকবাল: ২৪.৬৫
সাদা বলের দুই ফরম্যাটে একইসাথে সর্বোচ্চ গড়ধারী ব্যাটার হওয়াটা হৃদয়ের জন্য ভালো পরিসংখ্যান। তবে আশা করবো টি-টোয়েন্টিতে যেরকম বুদ্ধিদীপ্ত ইনিংস খেলেছেন হৃদয়, এরকম ইনিংসের পুনরাবৃত্তিই বেশি দেখবো। এরকম ইনিংস খেলেও যে গড়ের শীর্ষে উঠা যায়, তা তো স্বয়ং হৃদয়ই প্রমাণ করলেন।
