
মুস্তাফিজ ৫ উইকেট পেল। বাংলাদেশ সিরিজ জিতলো।
আজকাল সব কিছুতেই খুব নস্টালজিয়া ভর করে। মুস্তাফিজের ৫ উইকেট ব্যাপারটা শুনলেই মিরপুরের সেই দুইটা ম্যাচের কথা মনে পড়ে। আতহার ভাইয়ের ভাষায় ব্যাক টু ব্যাক ৫ উইকেট; কাটার আর কাটার। ইন্ডিয়ার বিপক্ষে কী অভিষেক। লিকলিকে একটা পিচ্চি ছেলে।
আমি এখনো চোখ বুজলে ওই লিকলিকে লাজুক পিচ্চি ছেলেটাকেই দেখি। যে আলোচনায় থাকে না, থাকতে পছন্দও করে না। আমাদের মুস্তাফিজ।
দেখতে দেখতে মুস্তাফিজ সিনিয়ার হয়ে গেল। মুস্তাফিজ খুব একটা বদলেছে বলে মনে হয় না। কিন্তু নীরবে নীরবে গ্রেটদের কাতারে চলে গেল।
সাদিদের একটা লেখায় আজকে পড়লাম, এই ৫০ বছরের ওয়ানডে ক্রিকেটের ইতিহাসে মুস্তাফিজের চেয়ে বেশি ৫ উইকেট নিয়েছেন মাত্র আর ৭ জন বোলার! তারা সবাই মুস্তাফিজের চেয়ে দ্বিগুণ করে ওয়ানডে ম্যাচ খেলছেন।
বাংলাদেশের ইতিহাসে এইরকম বড় সম্পদ আমরা খুব বেশি তো পাইনি। সেই সম্পদটা খুব নীরবে জীবনটা কাটিয়ে গেল ক্রিকেট জীবনটা।
কোনো কিছুতে হইচই নেই, কোনো কিছু নিয়ে উচ্ছ্বাস বা উন্মাদনা নেই, মুখে জগৎ মারার কোনো চেষ্টা নেই। নীরবে নিজের কাজটা করে যাওয়া। যা করার নীরবে করে, যা সওয়ার নীরবে সয়।
নীরবে সয় বলেই তো ঝিনুক মুক্তো দেয়!
