
ডারউইনের মারারা স্টেডিয়ামে ইতিহাস লিখেছে বাংলাদেশ। অস্ট্রেলিয়াকে তাদের নিজেদের মাটিতে ৯ উইকেটে হারিয়ে প্রথমবারের মতো অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্ট জয়ের স্বাদ পেয়েছে টাইগাররা। চার দিনের ম্যাচে র্যাঙ্কিংয়ের এক নম্বর দলকে এমন দাপটে হারানোর পর বাংলাদেশের এই জয় আর শুধু একটি ক্রিকেট ম্যাচের ফল হয়ে থাকেনি। মুহূর্তেই তা ছড়িয়ে পড়েছে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটের আলোচনায়!
বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের সংবাদমাধ্যমে আজ বাংলাদেশের জয় পেয়েছে বিশেষ গুরুত্ব। কোথাও একে বলা হয়েছে ঐতিহাসিক, কোথাও অস্ট্রেলিয়ার জন্য লজ্জাজনক, কোথাও আবার টেস্ট ক্রিকেটের অন্যতম সেরা জয়। বাংলাদেশের পারফরম্যান্সের প্রশংসার পাশাপাশি অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট কাঠামো, দল নির্বাচন ও ভবিষ্যৎ নিয়েও উঠেছে কঠিন প্রশ্ন।
আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের প্রতিক্রিয়াই যেন বলে দিচ্ছে, ডারউইনে বাংলাদেশ শুধু একটি টেস্ট জেতেনি; বিশ্ব ক্রিকেটের শক্তির সমীকরণেও দিয়েছে বড় এক বার্তা।
আল জাজিরা সরাসরি ইতিহাসের কথাই সামনে এনেছে। তাদের শিরোনাম-‘অস্ট্রেলিয়ায় প্রথমবার টেস্ট জিতে ইতিহাস গড়ল বাংলাদেশ’। প্রতিবেদনে বাংলাদেশের ৫৭ রানের লক্ষ্য তাড়া করে ৯ উইকেটের জয়কে টেস্ট ক্রিকেটের বড় অঘটনগুলোর একটি হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে। মুমিনুল হকের ব্যাটে জয় নিশ্চিত হওয়ার মুহূর্তটিও গুরুত্ব পেয়েছে তাদের প্রতিবেদনে।
রয়টার্সও বাংলাদেশের জয়কে দেখেছে দেশের ক্রিকেট ইতিহাসের অন্যতম বড় অর্জন হিসেবে। তাদের প্রতিবেদনের শিরোনাম ছিল-‘Brilliant Bangladesh claim first test win in Australia as Green ton in vain’। বাংলাদেশের দুর্দান্ত পারফরম্যান্সের বিপরীতে ক্যামেরন গ্রিনের সেঞ্চুরিও যে অস্ট্রেলিয়াকে বাঁচাতে পারেনি, সেটিই উঠে এসেছে প্রতিবেদনের শিরোনামে। রয়টার্সের প্রতিবেদনে হাসান মাহমুদের ম্যাচজয়ী বোলিং, তানজিদ হাসানের সেঞ্চুরি এবং মিরাজের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকার কথাও এসেছে।
অ্যাসোসিয়েটেড প্রেসের (এপি) শিরোনামেও বাংলাদেশের ঐতিহাসিক অর্জনই প্রধান-‘Bangladesh claims historic first win in Australia with 9-wicket victory in 1st test’। তাদের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ ৯ উইকেটে জিতে অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে প্রথম টেস্ট জয় নিশ্চিত করেছে।
অস্ট্রেলিয়ার এবিসি নিউজও বাংলাদেশের পারফরম্যান্সে বিস্মিত। তাদের প্রতিবেদনের শিরোনাম-‘Bangladesh thrashes Australia by nine wickets in first Test’। পুরো ম্যাচে অস্ট্রেলিয়াকে যেভাবে নিয়ন্ত্রণ করেছে বাংলাদেশ, প্রতিবেদনে সেটিকে বিশেষভাবে গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে এই প্রতিবেদনে।
তবে অস্ট্রেলিয়ার গণমাধ্যমে বাংলাদেশের প্রশংসার পাশাপাশি নিজেদের দলের ব্যর্থতা নিয়ে সমালোচনার সুরও ছিল তীব্র। সিডনি মর্নিং হেরাল্ড বাংলাদেশের জয় উদ্যাপনের সঙ্গে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটে নতুন প্রতিভা খোঁজার দাবির বিষয়টিকে পাশাপাশি এনেছে। তাদের শিরোনামের বাংলা দাঁড়ায় অনেকটা এমন-‘বাংলাদেশ পেল প্রধানমন্ত্রীর ফোন, আর অস্ট্রেলিয়া কল পাচ্ছে নতুন প্রতিভা খোঁজার দাবিতে।’
একই জয়ের দুই বিপরীত প্রতিক্রিয়া। বাংলাদেশে যেখানে ঐতিহাসিক সাফল্যের আনন্দ, অস্ট্রেলিয়ায় সেখানে শুরু হয়েছে দল পুনর্গঠনের আলোচনা।
ক্রিকেট ডট কম ডট এইউ বাংলাদেশের পারফরম্যান্সের প্রশংসা করতে গিয়ে যা লিখেছে, তার বাংলা অনেকটা এমন-‘ডারউইনে দুর্দান্ত টাইগারদের কাছে নাকাল অজিরা’। শিরোনামেই স্পষ্ট, ম্যাচটি অস্ট্রেলিয়ার নিয়ন্ত্রণে ছিল না; বরং বাংলাদেশই পুরো ম্যাচে তাদের ওপর আধিপত্য বিস্তার করেছে।
অস্ট্রেলিয়ার এবিসি ডট নেট আরও কঠোর প্রশ্ন তুলেছে। তাদের শিরোনামে লিখেছে যা এমন- ‘বাংলাদেশের কাছে অস্ট্রেলিয়ার বিস্ময়কর হার দীর্ঘদিনের উপেক্ষিত সমস্যাগুলো নিয়ে অবশেষে কঠিন আত্মসমালোচনার বার্তা দিল।’ বাংলাদেশের কাছে এই পরাজয়কে তারা শুধু একটি ম্যাচের ব্যর্থতা হিসেবে দেখেনি; বরং অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটে আগে থেকেই থাকা কিছু সমস্যাকে সামনে নিয়ে এসেছে।
এবিসির আরেক প্রতিবেদনের শিরোনাম-‘ডারউইনে বাংলাদেশের কাছে ৯ উইকেটে অস্ট্রেলিয়ার হার: ‘দুর্দান্ত’ টাইগারদের কাছে নাকাল অজিরা’। এখানেও বাংলাদেশের আধিপত্যই মূল বিষয় হয়ে উঠেছে।
দ্য ক্রনিক্যাল অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটারদের পারফরম্যান্সকে নিয়েছে আতশকাচের নিচে। বাংলাদেশের কাছে হারের পর রিকি পন্টিংয়ের কঠোর সিদ্ধান্ত গ্রহণের আহ্বান এবং ডেভিড ওয়ার্নারের পক্ষ থেকে উসমান খাজা ও মারনাস লাবুশেনের মধ্যে একজনকে বেছে নেওয়ার আলোচনাকে সামনে এনেছে তারা।
দ্য অস্ট্রেলিয়ানও পরাজয়ের পর অজি দলের ভবিষ্যৎ নিয়ে বড় প্রশ্ন তুলেছে। তাদের একটি প্রতিবেদনের শিরোনাম-‘বাংলাদেশের কাছে ডারউইনে ঐতিহাসিক হারের পর অস্ট্রেলীয় দলে কারও জায়গা নিশ্চিত নয়।’
বাংলাদেশের জয় শুধু ম্যাচের ফলাফল বদলায়নি, অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটে খেলোয়াড়দের জায়গা নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু করে দিয়েছে।
দ্য অস্ট্রেলিয়ানের আরেক শিরোনাম আরও কঠিন-‘দেখে বিব্রত হতে হয়, মিশ্র পারফরম্যান্স: ডারউইন বিপর্যয়ের পর অস্ট্রেলিয়ার প্রত্যেক খেলোয়াড়ের রেটিং’। খেলোয়াড়দের ব্যক্তিগত পারফরম্যান্স বিশ্লেষণের মধ্য দিয়ে অস্ট্রেলিয়ার ব্যর্থতার মাত্রাটিও তুলে ধরেছে তারা।
নিউজ ডট কম ডট এইউর শিরোনাম আরও সরাসরি-‘অস্ট্রেলিয়া লজ্জায়, বড় সংকটের আভাস’।
অস্ট্রেলিয়ার সাবেক অধিনায়ক রিকি পন্টিংও এই হারের পর দল নিয়ে কঠোর সমালোচনা করেছেন। অস্ট্রেলিয়ার সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে উঠে এসেছে তার ‘লজ্জাজনক’ মন্তব্য এবং দলে প্রজন্ম বদলের প্রয়োজনীয়তার কথা। বাংলাদেশ ম্যাচে অস্ট্রেলিয়া একটি সেশনও জিততে পারেনি-এই পরিসংখ্যানও সমালোচনার কেন্দ্রে এসেছে।
অস্ট্রেলিয়ার গণমাধ্যমের প্রতিক্রিয়া কতটা তীব্র, তার আরেকটি উদাহরণ দ্য ডেইলি টেলিগ্রাফের প্রতিবেদন। তাদের শিরোনামের বাংলা দাঁড়ায়-‘অস্ট্রেলিয়ার ইতিহাসের অন্যতম লজ্জাজনক পরাজয়ের স্বাদ পেল স্বাগতিকরা’। প্রতিবেদনে বাংলাদেশের আধিপত্যকে অস্ট্রেলিয়ার জন্য বড় ধরনের ক্রিকেটীয় ধাক্কা হিসেবে তুলে ধরা হয়েছে।
ব্রিটিশ গণমাধ্যমেও বাংলাদেশের জয় পেয়েছে বিশেষ মর্যাদা। দ্য গার্ডিয়ানের শিরোনামের অনেকটা এমন-‘বাংলাদেশের কাছে লজ্জাজনক হার, ইতিহাস গড়ে অস্ট্রেলিয়াকে চূর্ণ করল টাইগাররা।’
গার্ডিয়ানের ম্যাচ প্রতিবেদনেও বাংলাদেশের চার দিনের নিয়ন্ত্রণের বিষয়টি উঠে এসেছে। প্রথম দিন অস্ট্রেলিয়াকে ১৯৮ রানে অলআউট করার পর বাংলাদেশ ৪২৬ রান করে ২২৮ রানের লিড নেয়। দ্বিতীয় ইনিংসে অস্ট্রেলিয়া ২৮৪ রানে গুটিয়ে গেলে মাত্র ৫৭ রানের লক্ষ্য পায় বাংলাদেশ, যা এক উইকেট হারিয়েই পেরিয়ে যায়।
টেলিগ্রাফও একই সুরে লিখেছে-‘অস্ট্রেলিয়া তাদের ইতিহাসের অন্যতম লজ্জাজনক পরাজয়ের স্বাদ পেল।’ অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে অপেক্ষাকৃত কম শক্তিশালী হিসেবে বিবেচিত বাংলাদেশের কাছে এমন হারকে তারা অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেট ইতিহাসের বড় ধাক্কাগুলোর একটি হিসেবে দেখেছে।
বিবিসির শিরোনাম, Bangladesh thrash Australia for historic win। মানে-অস্ট্রেলিয়াকে বিধ্বস্ত করে ঐতিহাসিক জয় পেল বাংলাদেশ!
বিবিসির মতো প্রতিষ্ঠিত আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের শিরোনামে ‘ঐতিহাসিক জয়’ এবং ‘চূর্ণ’-দুটি শব্দ পাশাপাশি আসাটাই ডারউইনের ম্যাচের চিত্রটা পরিষ্কার করে দেয়। বাংলাদেশ শুধু শেষ দিনে জেতেনি; ম্যাচের শুরু থেকেই তারা অস্ট্রেলিয়ার ওপর চাপ তৈরি করেছিল।
দ্য টাইমস বাংলাদেশের জয়কে আরও উঁচু জায়গায় রেখেছে। তাদের শিরোনাম-‘টেস্ট ক্রিকেটের অন্যতম সেরা জয়গুলোর একটিতে অস্ট্রেলিয়াকে চূর্ণ করল বাংলাদেশ।’
এটি বাংলাদেশের ক্রিকেটের জন্য সম্ভবত সবচেয়ে তাৎপর্যপূর্ণ আন্তর্জাতিক মূল্যায়নগুলোর একটি। কারণ টেস্ট ক্রিকেটে বড় দলকে হারানো এবং সেটি প্রতিপক্ষের মাটিতে গিয়ে আধিপত্যের সঙ্গে করা-দুটি বিষয় এক নয়। ডারউনে বাংলাদেশ দ্বিতীয়টিই করেছে।
স্কাই স্পোর্টসের শিরোনামেও বিস্ময়ের ছাপ স্পষ্ট-‘অস্ট্রেলিয়াকে স্তব্ধ করে ডারউইনে ঐতিহাসিক ৯ উইকেটের টেস্ট জয় বাংলাদেশের।’
বাংলাদেশের জয়কে ঘিরে ভারতের গণমাধ্যমেও ছিল ব্যাপক আগ্রহ। ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের বাংলা সংস্করণের শিরোনাম-‘বাংলাদেশের অজি-বধে বিস্ময়, অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ইতিহাস বাংলাদেশের!’-বাংলাদেশের এই সাফল্যকে সরাসরি ইতিহাসের সঙ্গে যুক্ত করেছে। তাদের প্রতিবেদনে তানজিদ হাসানের ১০১, বাংলাদেশের ৪২৬, ২২৮ রানের লিড এবং হাসান মাহমুদের নয় উইকেটের অবদান তুলে ধরা হয়েছে।
ইন্ডিয়ান এক্সপ্রেসের আরেকটি প্রতিবেদনে আলাদা করে উঠে এসেছে মেহেদী হাসান মিরাজের ইতিহাস। অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে টেস্টে পাঁচ উইকেট নেওয়া প্রথম বাংলাদেশি স্পিনার হিসেবে মিরাজের কীর্তিকে তারা আলাদাভাবে তুলে ধরেছে।
বাংলাদেশের এই জয় তাই একাধিক গল্পের সমষ্টি। হাসান মাহমুদের ৯ উইকেট, তানজিদ হাসান তামিমের সেঞ্চুরি, অধিনায়ক নাজমুল হোসেন শান্তর ৮৪, মেহেদী হাসান মিরাজের ব্যাটে ৬৫ ও বল হাতে পাঁচ উইকেট-সব মিলিয়েই তৈরি হয়েছে ডারউইনের জয়।
গালফ নিউজও শান্তর প্রতিক্রিয়াকে সামনে এনে শিরোনাম করেছে-‘Our biggest win ever’: Shanto hails Bangladesh’s historic triumph over Australia’। ম্যাচ শেষে বাংলাদেশ অধিনায়ক নিজের দল ও সতীর্থদের নিয়ে গর্ব প্রকাশ করেছেন।
বাংলাদেশের জন্য ডারউইনের জয় আরও বিশেষ হয়ে উঠেছে কারণ অস্ট্রেলিয়ার মাটিতে ম্যাচের ১১টি সেশনের কোনো একটিতেও তারা পিছিয়ে ছিল না। প্রথম দিন হাসান মাহমুদের ৬ উইকেট দিয়ে শুরু, দ্বিতীয় দিনে তানজিদের সেঞ্চুরি ও বাংলাদেশের বড় লিড, তৃতীয় দিনে অস্ট্রেলিয়ার দ্বিতীয় ইনিংসে চাপ, আর চতুর্থ দিনে মিরাজের পাঁচ উইকেটের পর সহজ জয়-চার দিনেই বাংলাদেশ নিজেদের নিয়ন্ত্রণ ধরে রেখেছে।
এই জায়গাটিই আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমের বিস্ময়ের মূল কারণ। অস্ট্রেলিয়ার ব্যর্থতা হয়তো একটি ম্যাচের গল্প হতে পারত। কিন্তু বাংলাদেশের আধিপত্য ছিল পুরো ম্যাচজুড়ে।
প্রথম ইনিংসে অস্ট্রেলিয়ার ১৯৮ রান। বাংলাদেশের ৪২৬। ২২৮ রানের লিড। দ্বিতীয় ইনিংসে ক্যামেরন গ্রিনের ১০৪ রানের লড়াই। তবু অস্ট্রেলিয়া থেমেছে ২৮৪-তে। বাংলাদেশের সামনে লক্ষ্য মাত্র ৫৭। আর সেই লক্ষ্য পেরোতে তাদের লেগেছে মাত্র ১৪.২ ওভার, হারিয়েছে মাত্র একটি উইকেট।
ফলে ডারউইনের জয়কে ‘অঘটন’ বলে পাশ কাটানোর সুযোগও কম। অঘটন হলে ম্যাচের কোনো একটি মুহূর্ত বাংলাদেশকে এগিয়ে দিতে পারত। কিন্তু এখানে প্রথম দিন থেকে শেষ দিন পর্যন্ত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ ছিল বাংলাদেশের হাতে।
আর সেই কারণেই বিশ্ব গণমাধ্যমে এসেছে ‘ঐতিহাসিক’, ‘সবচেয়ে বড় অঘটন’, ‘অপমানজনক পরাজয়’, ‘লজ্জাজনক হার’-এমন সব শব্দ!
একদিকে বাংলাদেশের জন্য ইতিহাসের দরজা খুলেছে, অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়ার ক্রিকেটে খুলে গেছে আত্মসমালোচনার দরজা।
ডারউইনে বাংলাদেশের জয় তাই এখন আর শুধু বাংলাদেশের গল্প নয়। এটি অস্ট্রেলিয়ার সংকটের গল্প, বিশ্ব ক্রিকেটের শক্তির সমীকরণ বদলের গল্প, আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমের বিস্ময়ের গল্প। সবচেয়ে বড় কথা, বিশ্ব ক্রিকেটের বড় মঞ্চে বাংলাদেশকে নিয়ে এবার আলোচনা হচ্ছে সম্ভাবনা হিসেবে নয়-অর্জন হিসেবে!
