
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে নিজের প্রথম দ্বিপাক্ষিক সিরিজে রিপন মণ্ডল ⬇️
বল হাতে: ৪-০-৩৯-০ এবং ২-০-২৭-০
ব্যাট হাতে এক বলে শূন্য, যদিও তিনি ব্যাটার না তবে আউট হয়েছেন নির্বুদ্ধিতার পরিচয় দিয়ে।
কেমন ছিলো রিপনের প্রথম দ্বিপাক্ষিক সিরিজ? এক কথায়, ভালো না। রিপন চাইলে ভুলেও যাইতে পারেন, প্রথম ম্যাচের ওই লাস্ট ওভারটা বাদে।
এখন রিপনকে নিয়ে সমালোচনা হবে, সমালোচনা হওয়াটা ভুল কিছু না। ইভেন রিপনকেও বলতে দেখেছি, উনি চান উনি খারাপ করলে উনার সমালোচনা হোক, তবে যৌক্তিক উপায়।
যাই হোক, সেই সমালোচনা করতে গিয়ে যেন হার্শ না হই! কারযন হার্শ হলেই নিজেরাই দ্বিচারিতা করবো। কারণ, রিপন পারফর্ম না করে জাতীয় দলে এসেছে, ব্যাপারটা মোটেও এমন না। যারা জাতীয় দলের বাইরেও খেলা দেখেন, তারা জানেন যে গত এক বছরে জাতীয় দলের বাইরে থাকা টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের সবচেয়ে আলোচিত পেসারটার নাম রিপন মণ্ডল।
ইমার্জিং টিম, এ দল কিংবা বিপিএল, সব জায়গায় পারফর্ম করেই রিপন আজ এখানে। তাছাড়া যেহেতু টি-টোয়েন্টিতে প্রতিপক্ষ নিউজিল্যান্ডের মেইন টিম না হওয়ায় বাংলাদেশ একটু এক্সপেরিমেন্ট করেছে। আর নাহলে এই জায়গায় সহজেই তাসকিন কিংবা মুস্তাফিজকে খেলাতে পারতো। সেটা হলে আমরাই বলতাম, এই সিরিজও কেনো মেইন প্লেয়ার? কেন পাইপলাইনকে যাচাই করে দেখা হচ্ছে না?
তাই পাইপলাইন যাচাই যে করা হয়েছে, সেটাকে সাধুবাদ জানানো উচিত৷ রিপন খারাপ করেছে এর জন্য যদি ম্যানেজমেন্টের সমালোচনা করি, তাহলে পরবর্তীতে ম্যানেজমেন্টও এই পাইপলাইন যাচাই করাতে নিরুৎসাহিত হবে।
অবশ্য এখানে রিপনের প্রতিকূলে বেশ কিছু ছিলো। যেমন রিপন কিন্তু পরিচিত ডে’থ ওভার বোলিংয়ের জন্য, শেষ টি-টোয়েন্টিতে যেটার প্রয়োজনই পড়েনি। দেন এগেইন, শুধু ডেথ দিয়ে টিকে থাকা যাবে না, মুস্তাফিজুর ডে’থে দুর্দান্ত, মিডল ওভারে দুর্দান্ত না হলেও ব্রেকথ্রু কিন্তু আনতে পারেন। আশা করি, রিপন যদি ভবিষ্যতে সুযোগ পান, এই সিরিজে যে ভুল করেছেন, সেগুলো শুধরে নিবেন। তবে হ্যাঁ, ইন ফর্ম পেসার হিসেবে দুই ম্যাচে উইকেটলেস থেকে ১১ ইকোনমিতে বল করাটা রিপন থেকে এক্সপেক্টেড ছিলো না।
