
বিশ্বকাপে অংশ নিতে বিদেশে গেলেও নিজেদের দৈনন্দিন খাদ্যাভ্যাসে কোনো পরিবর্তন আনতে চায়নি নরওয়ে জাতীয় ফুটবল দল।
তাই টুর্নামেন্টের আগে তারা যুক্তরাষ্ট্রে নিজেদের অনুশীলন ক্যাম্পে ২ হাজার পাউন্ডেরও বেশি খাবার পাঠিয়েছিল।
খাবারের তালিকায় ছিল শত শত কেজি নরওয়েজিয়ান স্যামন, অন্যান্য সামুদ্রিক মাছ, দেশটির জনপ্রিয় ব্রাউন চিজ এবং হাজার হাজার কমলা।
পুরো খাবার ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে ছিলেন দলের ৩৫ বছরের অভিজ্ঞ শেফ এবং তার সঙ্গে থাকা দুজন সু-শেফ। তারা প্রতিদিন ৬০ জনের বেশি খেলোয়াড় ও কোচিং স্টাফের জন্য চার বেলা খাবার প্রস্তুত করতেন।
এত বড় আয়োজনের উদ্দেশ্য বিলাসিতা ছিল না।
বরং খেলোয়াড়দের স্বাভাবিক খাদ্যাভ্যাস, রুটিন এবং শারীরিক ছন্দ যেন বদলে না যায়, সেটিই ছিল মূল লক্ষ্য।
ক্রীড়া বিজ্ঞানীদের মতে, বড় টুর্নামেন্টে খাদ্যাভ্যাস, ঘুম এবং দৈনন্দিন রুটিনে হঠাৎ পরিবর্তন এলে খেলোয়াড়দের পারফরম্যান্সে প্রভাব পড়তে পারে। তাই অনেক জাতীয় দলই এসব বিষয়ে সর্বোচ্চ ধারাবাহিকতা বজায় রাখার চেষ্টা করে।
বিশেষ করে নরওয়ের জন্য এই বিশ্বকাপ ছিল আরও তাৎপর্যপূর্ণ। প্রায় তিন দশক পর তারা আবার বিশ্বকাপের মূল পর্বে জায়গা করে নেয়।
তাই প্রস্তুতির ক্ষেত্রে কোনো ঝুঁকি না নিয়ে, নিজেদের পরিচিত পরিবেশের একটি অংশই যেন সঙ্গে করে যুক্তরাষ্ট্রে নিয়ে গিয়েছে নরওয়ে।
