
বাংলাদেশের টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটের ইতিহাসে ২০০ বা তার বেশি স্ট্রাইকরেটে ৩০ বা তার বেশি রানের ইনিংস আছে মাত্র ২৪টি। এই ২৪টির মাঝে সবচেয়ে বেশি ৪ বার করেছেন লিটন দাস, এরপরেই যৌথভাবে আছেন শামীম ও রিয়াদ। গতকাল ৩১*(১৩) রানের ইনিংস দিয়ে শামীম রিয়াদকে স্পর্শ করেছেন।
🚨 টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে বাংলাদেশের হয়ে ২০০+ স্ট্রাইকরেটে ৩০+ রানের ইনিংসের তালিকা ⬇️
১। লিটন কুমার দাস: ৪ বার
i. ৪৩(১৯) বনাম শ্রীলঙ্কা, ২০১৮ ✈️
ii. ৬০(২৭) বনাম ভারত, ২০২২ ✈️
iii. ৪৭(২৩) বনাম আয়ারল্যান্ড, ২০২৩
iv. ৮৩(৪১) বনাম আয়ারল্যান্ড, ২০২৩
২। শামীম হোসেন পাটোয়ারী: ৩ বার
i. ৩১*(১৫) বনাম জিম্বাবুয়ে, ২০২১ ✈️
ii. ৩৫*(১৭) বনাম উইন্ডিজ, ২০২৪ ✈️
iii. ৩১*(১৩) বনাম নিউজিল্যান্ড, ২০২৬
৩। মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ: ৩ বার
i. ৩৩*(১৩) বনাম ভারত, ২০১৬
ii. ৪৩*(১৮) বনাম শ্রীলঙ্কা, ২০১৮ ✈️
iii. ৪৩*(২১) বনাম উইন্ডিজ, ২০১৮
৪। মাশরাফি মর্তুজা: ২ বার
i. ৩৩*(১৬) বনাম আয়ারল্যান্ড, ২০০৯ ✈️
ii. ৩০(১৩) বনাম আয়ারল্যান্ড, ২০১২ ✈️
৫। ইয়াসির আলী: ২ বার
i. ৪২*(২১) বনাম পাকিস্তান, ২০২২ ✈️
ii. ৩৪(১৬) বনাম পাকিস্তান, ২০২৩ ✈️ (এশিয়ান গেমস)
এই পাঁচজন মিলে মোট ১৪ বার ২০০ বা তার বেশি স্ট্রাইকরেটে ৩০ বা তার বেশি রানের ইনিংস খেলেছেন। শুরুর লাইনেই বলেছি, এই কীর্তি আছে ২৪ বার। ১৪টির হিসাব তো উপরেই দেওয়া, বাকি ১০টি করেছেন ১০ জন ক্রিকেটার, তারা হলেন —
– মোহাম্মদ আশরাফুল: ৬১(২৮) বনাম উইন্ডিজ, ২০০৭ ✈️
– আফতাব আহমেদ: ৩৬(১৪) বনাম দক্ষিণ আফ্রিকা, ২০০৭ ✈️
– জিয়াউর রহমান: ৪০*(১৭) বনাম আয়ারল্যান্ড, ২০১২ ✈️
– সাকিব আল হাসান: ৩৭*(১৮) বনাম নেপাল, ২০১৪
– সৌম্য সরকার: ৩৪(১৭) বনাম শ্রীলঙ্কা, ২০১৭ ✈️
– মুশফিকুর রহিম: ৭২*(৩৫) বনাম শ্রীলঙ্কা, ২০১৮ ✈️
– আফিফ হোসেন: ৫২(২৬) বনাম জিম্বাবুয়ে, ২০১৯
– জাকের আলী: ৬৮(৩৪) বনাম শ্রীলঙ্কা, ২০২৪
– তাওহীদ হৃদয়: ৪০(২০) বনাম শ্রীলঙ্কা, ২০২৪ ✈️
– তানজীদ হাসান: ৪০(১৮) বনাম ইউএই, ২০২৫ ✈️
২৮ এপ্রিল, ২০২৬ তারিখের তথ্য অনুযায়ী আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে এই ২৪ বারই বাংলাদেশের ব্যাটাররা ২০০+ স্ট্রাইকরেটে ৩০+ রানের ইনিংস খেলেছেন। ৩০+ রানের ইনিংস খেলা ইনিংসগুলোর মাঝে সর্বোচ্চ স্ট্রাইকরেটধারী ইনিংসের মালিক আফতাব আহমেদ, দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে ২০০৭ বিশ্বকাপে ৩৬(১৪) রানের ইনিংসে আফতাবের স্ট্রাইকরেট ছিলো ২৫৭.১৪।
