
ইরানের পক্ষ থেকে হামলা চালিয়ে তাকে হত্যার চেষ্টা করা হতে পারে—এমন সম্ভাব্য হুমকির পর গত মাসে গোপনে তুরস্ক ছেড়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তিনি নির্ধারিত এয়ারফোর্স ওয়ানের পরিবর্তে ছোট একটি সামরিক বিমানে তুরস্ক ছাড়েন।
সোমবার (১০ আগস্ট) এ খবর প্রকাশ করেছে প্রভাবশালী মার্কিন গণমাধ্যম ওয়াশিংটন পোস্ট। খবর এএফপির।
নাম প্রকাশ না করে এক মার্কিন কর্মকর্তার বরাতে ওয়াশিংটন পোস্ট জানায়, গত ৮ জুলাই আঙ্কারায় ট্রাম্প প্রথমে এয়ারফোর্স ওয়ানে ওঠেন। পরে বিমানটির সঙ্গে লাগোয়া একটি খাবার সরবরাহের (ক্যাটারিং) কনটেইনার ট্রাকে চলে যান।
এরপর ওই ট্রাকে করে ট্রাম্পকে একটি ছোট আকারের সি-৩২এ বিমানে নিয়ে যাওয়া হয়। সেটি মার্কিন প্রেসিডেন্টকে যুক্তরাজ্যে পৌঁছে দেয়। সে সময় সংবাদমাধ্যম ও কয়েকজন কর্মকর্তাকে এমন ধারণা দেওয়া হয়েছিল যে ট্রাম্প তখনো এয়ারফোর্স ওয়ানেই রয়েছেন।
এর আগে মার্কিন সংবাদমাধ্যমগুলো জানিয়েছিল, ইরানের পক্ষ থেকে হুমকির কারণে ট্রাম্প কাতারের উপহার হিসেবে পাওয়া বোয়িং ৭৪৭-৮ উড়োজাহাজে (নতুন এয়ারফোর্স ওয়ান) করে দেশে ফেরেননি। তিনি এ বিমানে করেই তুরস্ক গিয়েছিলেন।
আঙ্কারা থেকে উড্ডয়ন করা পুরোনো বিমানে থাকা সাংবাদিকদের জানালার পর্দা নামিয়ে রাখতে বলা হয়েছিল, যা সাধারণত শুধু যুদ্ধক্ষেত্রসংলগ্ন এলাকায় অনুসরণ করা হয়। এতে নিরাপত্তা-সংক্রান্ত উদ্বেগের সন্দেহ আরও জোরালো হয়।
ন্যাটো শীর্ষ সম্মেলনে অংশ নিতে গত মাসে আঙ্কারায় যান ট্রাম্প। তখন বলেছিলেন, তিনি ফেরার জন্য বোয়িং–৭৪৭ (পুরোনো এয়ারফোর্স ওয়ান) ব্যবহার করবেন, যাতে যুক্তরাজ্যের একটি বিমানঘাঁটিতে থাকা মার্কিন সামরিক বাহিনীর সদস্যরা নতুন বিমানটি (কাতারের উপহারের বিমান) ঘুরে দেখার সুযোগ পান।
তবে নিউইয়র্ক টাইমসসহ বেশ কয়েকটি মার্কিন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছিল, (মধ্যপ্রাচ্যে) ইরানের মিত্র সশস্ত্র বাহিনীগুলোর পক্ষ থেকে আসা একটি হুমকির কারণেই ট্রাম্পের বিমান পরিবর্তন করা হয়েছিল।
