
১. লেখালেখি আর কনটেন্ট
Claude (Sonnet 5)। লম্বা লেখা, ব্লগ, ক্যাপশন লিখতে দিলে human-এর মতো ন্যাচারাল টোন আসে, রোবট রোবট লাগে না।
২. কোডিং আর অ্যাপ বানানো
Claude Code। রিয়েল প্রোজেক্টের bug ফিক্স করা থেকে শুরু করে পুরো অ্যাপ বানানো, ডেভেলপাররা সবচেয়ে বেশি ভরসা করেন এটার উপর।
৩. রিসার্চ পেপার আর পড়াশোনা
NotebookLM আর Perplexity একসাথে। ১০০ পাতার PDF আপলোড দিয়ে NotebookLM দিয়ে পডকাস্ট বানিয়ে শুনে ফেলুন, আর নতুন তথ্য খুঁজতে Perplexity ব্যবহার করেন।
৪. ছবি বানানো
Nano Banana Pro (Google)। বাংলা সহ যেকোনো ভাষায় স্পষ্ট টেক্সট বসানো ছবি বানাতে এটা এখন সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য।
৫. ভিডিও বানানো
Veo বা Gemini Omni। একটা টেক্সট লিখলেই পুরো সিনেমাটিক সিন বানিয়ে দেয়, ক্যামেরার মুভমেন্ট পর্যন্ত কন্ট্রোল করা যায়।
এই পর্যন্ত পড়ে আমি নিজেই ভাবছি, প্রতিটা কোম্পানি আসলে নিজের একটা সুপার পাওয়ার বানিয়ে ফেলেছে।
৬. রিয়েল-টাইম খবর আর ট্রেন্ড
Grok। X (Twitter) এর লাইভ ডেটার সাথে সরাসরি কানেক্টেড, তাই এই মুহূর্তে কী ঘটছে সেটা জানতে এটাই এগিয়ে।
৭. ভয়েস আর অডিও
ElevenLabs। কণ্ঠস্বর ক্লোন করা বা ন্যাচারাল ভয়েসওভার বানানোর জন্য এখনো সবচেয়ে বিশ্বস্ত নাম।
৮. স্প্রেডশিট আর ডেটা অ্যানালাইসিস
Claude বা Gemini। মেসি ডেটা থেকে প্যাটার্ন বের করা, ফর্মুলা লিখে দেওয়া, চার্ট বানানো, দুটোই এই কাজে দারুণ।
