
সংবাদ সম্মেলনে লেফটেন্যান্ট কর্নেল ফায়েজুল আরেফীন জানান, গত ১০ অক্টোবর যুব উন্নয়ন অধিদফতরের সহকারী যুব উন্নয়ন কর্মকর্তা পদের ২৪২টি শূন্যপদে নিয়োগের বাছাই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা ছিল। এতে অংশ নিতে আবেদন করেন ৩ লাখ ১৯ হাজার চাকরিপ্রার্থী।
নির্ধারিত সময় অনুযায়ী, ওই দিন সকাল ১১টায় পরীক্ষা শুরু হওয়ার কথা ছিল। তবে সকাল ১০টা ৩ মিনিটে প্রশ্নপত্র ফাঁসের বিষয়টি নিশ্চিত হওয়ার পর পরীক্ষা স্থগিত করে কর্তৃপক্ষ। ঘটনাটি প্রকাশ্যে আসার পর ছায়াতদন্ত শুরু করে এসআরবি। এরই ধারাবাহিকতায় ১৪, ১৫ ও ১৬ অক্টোবর রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে সাতজনকে গ্রেফতার করা হয়।
তিনি আরও জানান, গত ১৪ অক্টোবর মতিঝিল এলাকা থেকে রুবেল ইসলাম, মফিজুল ইসলাম ও হাসিনুর রহমান সুজনকে গ্রেফতার করা হয়। তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উত্তরখান এলাকা থেকে ইমদাদুল ইসলামকে গ্রেফতার করা হয়। পরে এসআরবি-৪-এর সহায়তায় মিরপুর-১০ এলাকা থেকে আটক করা হয় আসাদুল ইসলামকে।
গ্রেফতার ব্যক্তিদের মোবাইল ফোনের কথোপকথন ও চ্যাট পর্যালোচনা করে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে ১৫ অক্টোবর সাভার এলাকা থেকে নূর মোহাম্মদকে গ্রেফতার করে এসআরবি-৪। পরে তার কাছ থেকে পাওয়া তথ্য ও প্রমাণের ভিত্তিতে ১৬ অক্টোবর মোহাম্মদপুর এলাকা থেকে জাহাঙ্গীরকে গ্রেফতার করা হয়।
এ ঘটনায় গত ১১ অক্টোবর যুব উন্নয়ন অধিদফতরের পক্ষ থেকে মতিঝিল থানায় মামলা করা হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত অন্যদের শনাক্ত করা এবং এর মূল উৎস খুঁজে বের করতে তদন্ত অব্যাহত রয়েছে।
