
হ্যাঁ, এআই-এর কারণে অনেক ধরনের ওয়েবসাইটের ভিজিটর ইতোমধ্যে কমতে শুরু করেছে, এবং ভবিষ্যতে আরও কিছু পরিবর্তন হবে। তবে সব ওয়েবসাইট সমানভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে না।
যেসব সাইট শুধু “সাধারণ তথ্য” দেয়, সেগুলো বেশি ঝুঁকিতে আছে। কারণ এখন মানুষ সরাসরি এআই থেকে উত্তর পেয়ে যাচ্ছে। যেমন:
* “ডায়াবেটিস কী?”
* “আজকের আবহাওয়া”
* “১০টি স্বাস্থ্য টিপস”
* “State মানে কী”
এ ধরনের সার্চে মানুষ আর সবসময় ওয়েবসাইটে ঢুকছে না।
কিন্তু ভালো খবর হলো—সব ধরনের কনটেন্ট এআই replace করতে পারবে না। বিশেষ করে নিউজ, লোকাল তথ্য, বিশ্লেষণ, অভিজ্ঞতা, ব্রেকিং আপডেট—এসবের চাহিদা থাকবে।
আপনার যেহেতু নিউজ সাইট নিয়ে কাজ করার আগ্রহ আছে, তাই এখানে সুযোগ এখনও অনেক। তবে শুধু “কপি নিউজ” দিলে ভবিষ্যতে ট্রাফিক কমতে পারে। এখন যেটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ:
* দ্রুত আপডেট
* ইউনিক হেডলাইন
* নিজস্ব ভাষায় লেখা
* বিশ্লেষণ যোগ করা
* লোকাল/বাংলাদেশি বিষয়
* ছবি/ভিডিও/ইনফোগ্রাফিক
* মানুষের অভিজ্ঞতা বা মতামত
উদাহরণ:
❌ শুধু:
“গরমে শরীর ঠান্ডা রাখার ৭ উপায়”
✅ ভালো:
“বাংলাদেশের তীব্র গরমে চিকিৎসকদের ৭ জরুরি পরামর্শ”
অথবা
“হিটস্ট্রোকে কেন বাড়ছে মৃত্যু? যা বলছেন বিশেষজ্ঞরা”
অর্থাৎ, শুধু তথ্য না দিয়ে “ভ্যালু” দিতে হবে।
আরেকটা বড় বিষয় হলো Google এখন E-E-A-T গুরুত্ব দিচ্ছে:
* Experience
* Expertise
* Authoritativeness
* Trust
মানে বিশ্বাসযোগ্য ও বাস্তবভিত্তিক কনটেন্ট বেশি গুরুত্ব পাবে।
ভবিষ্যতে যেসব সাইট টিকে থাকবে:
* ব্র্যান্ড তৈরি করবে
* নিজস্ব পাঠক বানাবে
* ফেসবুক/ইউটিউব/টেলিগ্রাম ব্যবহার করবে
* AI ব্যবহার করবে, কিন্তু পুরোপুরি AI-নির্ভর হবে না
এআইকে শত্রু না ভেবে “সহকারী” হিসেবে ব্যবহার করলে বরং দ্রুত বড় হওয়া সম্ভব। যেমন:
* SEO title তৈরি
* নিউজ summarize
* thumbnail idea
* trending topic research
* grammar ঠিক করা
* দ্রুত draft লেখা
কিন্তু শেষ touch মানুষের হওয়া সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
