
ফর্মে থাকা টেস্ট দলের এত করুণ পরিণতি
সাদমান-জয়কে হারিয়েও ভালো অবস্থানে ছিল বাংলাদেশ। দুই উইকেট হারিয়ে ১১২ রান সংগ্রহ করেছিল টাইগাররা। মাঝে ৬০ রানের ইনিংস খেলেছেন মুমিনুল। এমন শুরুর পর বড় স্কোরের আশা করাই যায়। কিন্তু হঠাৎ ব্যাটিং ধসে ২৮ রান করতেই বাকি ৮ উইকেট হারিয়ে বসে শান্তবাহিনী। টেস্টে ২৭৯৪ দিন পর এত কম রানে আউট হয়েছে লাল-সবুজের দল।
সবশেষ ২০১৮ সালে সিলেটে ১৪৩ রানে আউট হয়েছিল বাংলাদেশ, সেই ম্যাচেও প্রতিপক্ষ ছিল জিম্বাবুয়ে। প্রায় ৭ বছর ৭ মাস পর একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি ঘটাল টাইগাররা। এবার ১৪০ রানে জিম্বাবুয়ের মাটিতে সব উইকেট হারিয়ে বিপদে বাংলাদেশ। সময়ের হিসাবে, ২৭৯৪ দিন পর এমন ঘটনার সাক্ষী হলো মুশফিক-মমিনুলরা।
গেল মাসেই পাকিস্তানকে ২-০ ব্যবধানে টেস্ট হারিয়েছিল বাংলাদেশ। জিম্বাবুয়েকে অস্ট্রেলিয়া সিরিজের প্রস্তুতি হিসেবেই দেখেছিল বিসিবি। কিন্তু ব্যাট হাতে এক মুমিনুল ছাড়া বাকিরা যা করেছেন, তা রীতিমতো ছেলেখেলা। সিনিয়ররা ছাড়াও অভিষিক্ত হৃদয়-অমিত যেন প্রথমবার ব্যাট ধরেছেন। অথচ পাকিস্তানের দুই অভিষিক্ত ক্রিকেটার বাংলাদেশি বোলারদের নাচিয়েছিল।
জিম্বাবুয়ের বিপক্ষে একাদশে ৬ পরিবর্তন নিয়ে নেমেছে বাংলাদেশ। তিন পেসার, দুই অভিষিক্ত ক্রিকেটার আর সাদমান ইসলাম। একাদশ বদল আনা মাত্রই যেন খেই হারিয়ে ফেলেছে সবাই। নিজেদের বড় দল ভাবা বাংলাদেশের বিদেশের মাটিতে এমন করুণ পরিণতি সতর্কবার্তা হিসেবে বিবেচনা করবে বিসিবি।
