কুষ্টিয়ায় হাজী ও নান্নার বিরিয়ানির নামে পরিবেশন করা হচ্ছে নিম্নমানের পচা-বাসি খাবার

রাজধানীর বিভিন্ন স্বনামধন্য খাবারের দোকানের সাথে মিলিয়ে রাখা খাবারের দোকানের নাম ব্যবহার করে কুষ্টিয়া শহরে চলছে অসংখ্য রেস্টুরেন্ট।যেগুলোতে পরিবেশন করা হচ্ছে নিম্নমানের পচা-বাসি খাবার। না জেনে-বুঝে শহরের অসংখ্য মানুষ তা খাচ্ছেন প্রতিদিন।দোকান সংশ্লিষ্টদের কথায় অনেকটা স্পষ্ট, এগুলোর সাথে ঢাকার ঐতিহ্যবাহী খাবারের দোকানের কোন সংযোগ নেই।রাজধানীর নামীদামী হাজীর বিরিয়ানি ও নান্না বিরিয়ানির নামের সাথে মিল রেখে এসন দোকান পরিচালনা করে থাকে।খাবারের মান একেবারেই নেই বললেই চলে। নোংরা স্যাঁতসেতে পরিবেশ, পঁচা বাসী খাবার দিলেও ক্রেতারা অবশ্য এ বিষয়ে কিছু বলতে পারে না।এসব রেস্টুরেন্টের হেঁসেল কিভাবে চলছে তা দেখার জন্য কোন অনুমতি নেই।নামসর্বস্ব নান্নার রান্না দেখে চোখ কপালে ওঠার জোগাড়। অন্যগুলোর অবস্থাও একই। পচা-বাসি কোন খাবারই ফেলে দেয়া হয় না এখানে। আর যে রেফ্রিজারেটরে সংরক্ষণ করা হয় খাবার, তা হঠাৎ দেখায় মনে হতে পারে আবর্জনার ভাগাড়।পুরো রান্না ঘরের চিত্র কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালের আবাসিক চিকিৎসক ডা. তাপস কুমার সরকারকে দেখানো হলে তিনি বিস্মিত হয়ে শুধু বললেন, এমন খাবার শরীরের জন্য মারাত্মক ঝুঁকির কারণ।এসব দেখার দায়িত্ব ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের। অথচ তাদের কাছে গিয়ে মিললো গৎবাঁধা বক্তব্য।কুষ্টিয়া হোটেল ব্যবসায়ী সমিতির তথ্য, শহরে রেস্টুরেন্ট আছে ৩০০’রও বেশি। আর ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর জানালো, নিম্নমানের খাবার পরিবেশনের অভিযোগে তারা গেল চার মাসে ২৫টি অভিযান চালিয়েছেন। কর্তৃপক্ষের দাবি, অভিযানের সংখ্যা কম করোনার কারণে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *